চাণক্য নীতি: শাম দাম দন্ড ভেদ

‘দ্যা আর্ট অব দ্যা ওয়ার’-এর কারণে চৈনিক সমরবিদ মহামতি সানজুকে আমরা এখন অনেকেই চিনি। দুনিয়ার তাবৎ সামরিক আকাদেমিতে এই বই পাঠ্যবই হিসেবে পড়ানো হয়। আর পড়ানোও উচিত। খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে রচিত এই বইয়ের কলাকৌশলগুলো আজকের দিনেও অত্যন্ত উপযোগী। কিন্তু আমরা কি কখনোও ভেবে দেখেছি, প্রায় একই সময়ে (খ্রিস্টপূর্ব ৩৭০-২৮৩ অব্দ) আমাদের এই ভারতবর্ষেও এমন একজন মানুষ ছিলেন যার সমরকৌশল, পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনীতিতে অসামান্য পান্ডিত্য ছিল। তিনি হলেন আচার্য চাণক্য।

পুরো পোস্ট পড়ুন

রেসিপি: বাঁধাকপি ভাজি

আমার ব্যাচেলর জীবনে ২-মিনিটে নুডুলস রান্না করতে পেরেছি কিনা, আমি জানিনা। কিন্তু ২০-মিনিটে বাঁধাকপি ভাজি আমি অনেক করেছি। অনেকটা “ধর তক্তা, মার পেরেক” টাইপের রেসিপি এটা। পাতাকপি ভাজিতে উপকরণ লাগেও কম। পাতাকপি চিনলেন না? আমাদের অঞ্চলে এই জিনিস পাতাকপি নামেই বেশি প্রসিদ্ধ। ঢাকাতে অবশ্য স্মার্ট মানুষজন একে গ্রীন ক্যাবেজ বলেও ডাকে। সে, যাই হোক - যাহাই বাহান্ন, তাহাই তেপ্পান্ন।

পুরো পোস্ট পড়ুন

কার্প কোন একক মাছ নয়, বরং মাছের গ্রুপ। এই গ্রুপে আবার দুই ধরনের সদস্য আছে: দেশি ও বিদেশি। দেশি কার্পের ভিতর রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালিবাউস জনপ্রিয়। অন্যদিকে বিদেশি কার্পের ভিতর সিলভার কার্প ও গ্রাস কার্পই বেশি জনপ্রিয়। আজ আমরা এই কার্প জাতীয় মাছগুলোকে রান্না করার একটা জেনেরিক রেসিপি সম্পর্কে জানব।

পুরো পোস্ট পড়ুন

সজিপ্র : সহজ ভাষায় পাইথন ৩

‘সহজ ভাষায় পাইথন ৩’ বইটি নিয়ে প্রায়শই কিছু মধুর প্রশ্নের সম্মুখীন হই। দিন দিন (আমার প্রতি) মানুষের ভালবাসা যেভাবে বাড়ছে, প্রশ্নও সমানুপাতিক হারেই বাড়ছে। আসলে যে কারোর মনেই এরকম প্রশ্ন আসা বেশ স্বাভাবিক। কিন্তু একই প্রশ্নের উত্তর বারবার দিতে কেমন জানি লাগে আমার। নিজেকে হোয়াইল লুপের অধিবাসী মনে হয়। তাই ভাবলাম, এসব মধুর প্রশ্নের সুমধুর উত্তরগুলো সজিপ্র (সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন) সেকশনে লিখে রাখা যাক। (১) প্রশ্ন: সি নাকি পাইথন? কোনটি দিয়ে শুরু করব?

পুরো পোস্ট পড়ুন

প্রেরণাদায়ী (৬ষ্ঠ পর্ব)

একদিন একজন মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ‘স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট প্রিন্সিপল’ পড়াচ্ছিলেন। ছাত্র-ছাত্রীতে পরিপূর্ণ অডিটোরিয়ামের মঞ্চে উঠে তিনি একটা পানির গ্লাস উঁচু করে ধরলেন। সবাই ভাবল, অধ্যাপক তাদেরকে চিরাচরিত “গ্লাস অর্ধেক খালি নাকি ভর্তি” প্রশ্নটা জিজ্ঞেস করবেন। কিন্তু অধ্যাপক হাসিমুখে জিজ্ঞেস করলেন, “আমি যে পানির গ্লাসটা ধরে আছি এটার ওজন কত হবে?” ছাত্র-ছাত্রীরা চিৎকার করে উত্তর দিল, আট আউন্স থেকে কয়েক পাউন্ড হতে পারে। অধ্যাপক উত্তর দিলেন, “আমার পরিপ্রেক্ষিতে, এই গ্লাসের সঠিক ওজন কোন ব্যাপার না।বরং আমি কতক্ষণ এটা ধরে আছি তার উপর নির্ভর করে। যদি আমি এটাকে এক বা দুই মিনিটের জন্য ধরে থাকি, তাহলে এটা মোটামুটি হালকা। যদি আমি এটাকে এক ঘন্টার জন্য ধরে রাখি, তবে এটার ওজনে আমার হাতে সামান্য ব্যথা হতে পারে। যদি আমি এটাকে একদিনের জন্য ধরে রাখি, তাহলে সম্ভবত আমার হাতে খিল ধরে যাবে, অসাড় এবং পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যাব, ফলে গ্লাসটা ফ্লোরে পড়ে যাবে। প্রতিটি ক্ষেত্রে, গ্লাসের ওজনে কোন পরিবর্তন হচ্ছে না, কিন্তু যত দীর্ঘ সময় আমি এটাকে ধরে রাখব, আমার কাছে এটা তত ভারী মনে হবে।”

পুরো পোস্ট পড়ুন

রেসিপি: রূপচাঁদা ফ্রাই

এই বিশাল ঢাকা শহরে আমার ব্যাচেলরীয় জীবনে রূপচাঁদা এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। আদর করে আমি একে হাই-স্পীডি ফিশ বলে ডাকি। সেটা অবশ্য রূপচাঁদার নিজস্ব গতির জন্য নয়। বরং দ্রুততম সময়ে রূপচাঁদা ফ্রাই করে খাওয়া যায় বলে। রূপচাঁদা ফ্রাই করা অনেকটা ধর তক্তা মার পেরেকের মত। লেটস ডু ইট! উপকরণ চারটে মাঝারি সাইজের (২৫০-৩০০ গ্রাম) রূপচাঁদা মাছ এক চা চামচ হলুদের গুঁড়া দুই চা চামচ মরিচের গুঁড়া হাফ চা চামচ গরম মশলা গুঁড়া দুই চিমটি লবণ এক চিমটি পাঁচ ফোড়ণ এক চিমটি মেথি পরিমাণ মত সরিষার তেল একটা দেশি পেঁয়াজ একটা ফ্রাই প্যান একটা খুন্তি একটা ছুরি আমি সবকিছু আমার হিসেব করে বললাম। আপনি চাইলে একটা-দুইটা-পাঁচটা রূপচাঁদাকে একসাথে ফ্রাই করতে পারেন আর হলুদ-মরিচ-লবণ-তেল খুশিমত খরচ করতে পারেন।

পুরো পোস্ট পড়ুন

রেসিপি: বেগুন ভর্তা

আমি একজন নিবেদিতপ্রাণ আমিষভোজী। তবে খাসীর মাংসই খাই আর মাছ ভাজাই খাই, সাথে একটা ভর্তা হলে জমে ভাল। সকালে রূপচাঁদা ফ্রাই করছিলাম। ভাবলাম একটা ভর্তা করা যাক। ফ্রীজেই দুটো পেটমোটা বেগুন ছিল। ও দুটোকেই খেলে দিলাম আজকে। কথায় আছে, বেগুনের অনেক গুণ। কথাটা আসলেই সত্য। জগৎ সংসারে আলু ভর্তার পর বেগুন ভর্তা বানানোই ব্যাচেলরদের জন্য বোধহয় সবচেয়ে সহজ। আর স্বাদ? আহা, মরি মরি! উপকরণ দুটো মাঝারি সাইজের পেটমোটা বেগুন চারটে শুকনা মরিচ চারটে ধনিয়া পাতা দেশি পেঁয়াজ চারটে (ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ মনে হয় একটাই যথেষ্ট) দেড় চা চামচ লবণ আড়াই চা চামচ সরিষার তেল (আমি তেল খুব কম খাই) একটা ফ্রাই প্যান একটা খুন্তি একটা বাটি বা প্লেট আমি সবকিছু আমার হিসেব করে বললাম। আপনি চাইলে একটা-দুইটা-পাঁচটা বেগুনের ভর্তা একসাথে করতে পারেন আর লবণ-মরিচ-পেঁয়াজ-তেল খুশিমত খরচ করতে পারেন।

পুরো পোস্ট পড়ুন

Author's picture

মাকসুদুর রহমান মাটিন

ডেভঅপস ইঞ্জিনিয়ার | এসআরই

গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্ট

বাংলাদেশ