প্রেরণাদায়ী (৬ষ্ঠ পর্ব)

একদিন একজন মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ‘স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট প্রিন্সিপল’ পড়াচ্ছিলেন। ছাত্র-ছাত্রীতে পরিপূর্ণ অডিটোরিয়ামের মঞ্চে উঠে তিনি একটা পানির গ্লাস উঁচু করে ধরলেন। সবাই ভাবল, অধ্যাপক তাদেরকে চিরাচরিত “গ্লাস অর্ধেক খালি নাকি ভর্তি” প্রশ্নটা জিজ্ঞেস করবেন। কিন্তু অধ্যাপক হাসিমুখে জিজ্ঞেস করলেন, “আমি যে পানির গ্লাসটা ধরে আছি এটার ওজন কত হবে?” ছাত্র-ছাত্রীরা চিৎকার করে উত্তর দিল, আট আউন্স থেকে কয়েক পাউন্ড হতে পারে। অধ্যাপক উত্তর দিলেন, “আমার পরিপ্রেক্ষিতে, এই গ্লাসের সঠিক ওজন কোন ব্যাপার না।বরং আমি কতক্ষণ এটা ধরে আছি তার উপর নির্ভর করে। যদি আমি এটাকে এক বা দুই মিনিটের জন্য ধরে থাকি, তাহলে এটা মোটামুটি হালকা। যদি আমি এটাকে এক ঘন্টার জন্য ধরে রাখি, তবে এটার ওজনে আমার হাতে সামান্য ব্যথা হতে পারে। যদি আমি এটাকে একদিনের জন্য ধরে রাখি, তাহলে সম্ভবত আমার হাতে খিল ধরে যাবে, অসাড় এবং পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যাব, ফলে গ্লাসটা ফ্লোরে পড়ে যাবে। প্রতিটি ক্ষেত্রে, গ্লাসের ওজনে কোন পরিবর্তন হচ্ছে না, কিন্তু যত দীর্ঘ সময় আমি এটাকে ধরে রাখব, আমার কাছে এটা তত ভারী মনে হবে।”

পুরো পোস্ট পড়ুন

একবার কতগুলো ব্যাঙ একটা গভীর কূপের একেবারে কাছ দিয়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ করে দুইটা ব্যাঙ পিছলে গিয়ে কূপের ভিতর পড়ে গেল। বাকি সব ব্যাঙ কূপের চারপাশে ভিড় জমাল। কিন্তু কূপটা এতটাই গভীর ছিল যে তারা উদ্ধারের কোন আশা দেখতে পেল না। তাই তারা বলতে লাগল,“আশা নাই, আশা নাই।” চিপায় পড়া দুই ব্যাঙ তাদের প্রতি কর্ণপাত না করে লাফিয়ে কূপ থেকে বের হবার চেষ্টা করতে লাগল। তা স্বত্ত্বেও উপরের ব্যাঙগুলো চিৎকার করে বলতে লাগল,“আশা নাই, আশা নাই।”

পুরো পোস্ট পড়ুন

এক ভদ্রলোক একটা হাতিশালের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। এমন সময় তিনি খেয়াল করলেন, হাতিগুলো খাঁচার ভিতরে বা শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা নেই। বরং এক পায়ে একটা ছোট্ট রশি দিয়ে হাতিগুলো বেঁধে রাখা হয়েছে। লোকটা বেশ অবাক হল। কারণ, একটু চেষ্টা করলেই হাতিগুলো রশি ছিঁড়ে পালাতে পারত। কিন্তু তারা ছেঁড়া তো পরের বিষয়, সামান্য চেষ্টাও করছে না। কৌতুহলী হয়ে সে হাতিগুলোর ট্রেইনারকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলেন। ট্রেইনার উত্তর দিলেন,“হাতিগুলো যখন খুব ছোট ছিল তখন এরকম ছোট সাইজের রশি দিয়েই আমরা ওদেরকে বেঁধে রাখতাম। ঐ সময়ে ওদেরকে বেঁধে রাখার জন্য এই রশি যথেষ্ট ছিল। ধীরে ধীরে ওরা বড় হল আর ওদের মনেও একটা ধারণা জন্মে গেল যে এই রশি ছেঁড়া সম্ভব না। ওরা এখনো মনে করে এই রশি ছেঁড়া সম্ভব না। তাই ওরা কখনো ছেঁড়ার চেষ্টাও করে না।”

পুরো পোস্ট পড়ুন

কয়েকশ বছর আগে ইতালির এক ছোট শহরে একজন ব্যবসায়ী বাস করতেন। একবার এক সুদখোর মহাজনের কাছ থেকে তিনি বেশ বড় অঙ্কের টাকা ধার নিলেন। সেই মহাজন ছিলেন অনেক বৃদ্ধ আর দেখতেও বিশ্রী। অনেকটা হঠাৎ করেই এই ব্যবসায়ীর মেয়েকে তার মনে ধরল। মহাজন ব্যবসায়ীকে একটা চুক্তি প্রস্তাব করলেন, তিনি (ব্যবসায়ী) যদি তার মেয়েকে এই ঘাঁটের মরার সাথে বিয়ে দেন তবে তার ঋণ শোধ হবে। বলাই বাহুল্য, ব্যবসায়ীর জন্য এটা ছিল মেজাজ খিঁচে যাওয়ার মত একটা প্রস্তাব।

পুরো পোস্ট পড়ুন

মাত্র আজ সকালেই অ্যান্টনিও ফার্নান্দেজ অ্যালোনসোকে চিনলাম আমি। ভদ্রলোক স্পেনের, পড়াশুনা করেছেন University of Seville-এ। কোরাতে এক প্রশ্নের উত্তরে প্রায় ত্রিশ বছরের প্রোগ্রামিং অভিজ্ঞতা থেকে নতুন প্রোগ্রামারদের তিনটি টিপস দিয়েছেন তিনি। ভাবলাম দেশি ভাইদের জন্য সেগুলো অনুবাদ করা যেতে পারে। (১) কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ শেখার কথা ভুলে যাও। প্রোগ্রামিং হল প্রব্লেম সলভিংয়ের নামান্তর। যদি তুমি না জান কিভাবে প্রব্লেম সলভ করতে হয়, যত শক্তিশালী ল্যাঙ্গুয়েজই হোক না কেন, তা নিজে তোমার প্রব্লেম সলভ করে দিবে না।

পুরো পোস্ট পড়ুন

প্রেরণাদায়ী (২য় পর্ব)

কখনো কখনো একটা উদ্ধৃতির ক্ষমতা অসাধারণ হয়। একটা উদ্ধৃতি যেমন তোমার জীবন গড়ে দিতে পারে ঠিক তেমনি অন্য কারো জীবন ধ্বংসও করে দিতে পারে। এটা তোমার মুডও চেঞ্জ করতে পারে। কয়েকটা শব্দকে পাশাপাশি সাজিয়ে ফেল। এবার দেখ তারা একসাথে অনেক বড় প্রভাব তৈরি করে ফেলেছে তোমার জীবনে। কিন্তু সমস্যা হল আমাদের জীবনে সমৃদ্ধি এনে দিতে পারে এরকম উদ্ধৃতি খুবই কম। তাই তোমাদের সামনে জীবন পরিবর্তনকারী দশটি উদ্ধৃতি তুলে ধরছি আজকে।

পুরো পোস্ট পড়ুন

Toto Yulianto নামের একজন ভদ্রলোকের টিমে আমার কয়েক মাস কাজ করার সৌভাগ্য হয়েছিল। সৌভাগ্য এইজন্য বলছি কারণ সিস্টেম এডমিনিস্ট্রেশনে বহু বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এই ভদ্রলোকের কাছ থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি। আমাদের প্রজেক্টে ফিলিপিনো এক ভদ্রমহিলা ছিলেন। তিনি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে কাজ করতেন। ইউজারদের থেকে প্রাপ্ত ডাটা প্রসেস করে তার উপর আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স এপ্লাই করে ধারণা করা হত ইউজার কোন সব প্রোডাক্ট কিনতে পারেন। তারপর এমন সব প্রোডাক্টই কেবল ইউজারের হোমে দেখানো হত।

পুরো পোস্ট পড়ুন

Author's picture

মাকসুদুর রহমান মাটিন

ডেভঅপস ইঞ্জিনিয়ার | এসআরই

গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্ট

বাংলাদেশ